জিম্বাবুয়ের রান তখন ৫ উইকেটে ১৪৬। ইনিংসের একমাত্র ফিফটি জুটি আসে এরপরই। অভিজ্ঞ সিকান্দার রাজাকে নামানো হয় সাতে। তার সঙ্গে জুটিতে দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করেন মাধেভেরে।
তরুণ মাধেভেরে আরও একবার তার প্রতিভার ঝলক দেখান দারুণ কিছু শটে। অষ্টম ওয়ানডেতে তৃতীয় ফিফটিতে পা রাখেন ৫২ বলে। শেষ দিকে যখন দ্রুত রান তোলার পালা, তখনই তার বিদায়। শরিফুলের স্লোয়ার উড়িয়ে মারেন তিনি, লং অফ থেকে অনেকটা সামনে ছুটে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তামিম ইকবাল।
শরিফুল শেষ দিকে উইকেট পান আরও দুটি। ফুল টসে ক্যাচ দেন লুক জঙ্গুয়ে, শর্ট বলে ব্লেসিং মুজারাবানি। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে আগের তিন ম্যাচে তার উইকেট ছিল তিনটি। চতুর্থ ম্যাচে শিকার চারটি। সিকান্দার রাজাও ব্যর্থ শেষটা ভালো করতে। সাইফ উদ্দিনের বলে দুটি বাউন্ডারির পর আউট হয়ে যান ৪৪ বলে ৩০ করে। শেষ ১০ ওভারে জিম্বাবুয়ে করতে পারে মাত্র ৫৫ রান।
তারপরও তারা বিপাকে ফেলতে পেরেছিল বাংলাদেশকে। কিন্তু দিনটি তো সাকিবের রানে ফেরার দিন, বাংলাদেশের বিপক্ষে তাই জয়ে ফেরা হলো না জিম্বাবুয়ের। জিম্বাবুয়েতে সবশেষ দুই ওয়ানডে সিরিজে হারের পর এবার জিততে পারল বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
জিম্বাবুয়ে: ৫০ ওভারে ২৪০/৯ (কামুনহুকামউই ১, মারুমানি ১৩, চাকাভা ২৬, টেইলর ৪৬, মায়ার্স ৩৪, মাধেবেরে ৫৬, রাজা ৩০, জঙ্গুয়ে ৮, মুজরাবানি ০, চাতারা ২*, এনগারাভা ০; তাসকিন ১০-০-৩৮-১, সাইফ ১০-০-৫৪-১, মিরাজ ৭.২-০-৩৪-১, শরিফুল ১০-০-৪৬-৪, সাকিব ১০-০-৪২-২, মোসাদ্দেক ১.৪-০-৭-০, আফিফ ১-০-১১-০)।
বাংলাদেশ: ৪৯.১ ওভারে ২৪২/৭ (তামিম ২০, লিটন ২১, সাকিব ৯৬*, মিঠুন ২, মোসাদ্দেক ৫, মাহমুদউল্লাহ ২৬, মিরাজ ৬, আফিফ ১৫, সাইফ ২৮*; মুজারাবানি ৯.১.-১-৩১-১, চাতারা ৭-১-৫২-০, জঙ্গুয়ে ৮-০-৪৬-২, এনগারাভা ৯-১-৩৩-১, মাধেভেরে ১০-০-৩৯-১, রাজা ৬-০-৩৩-১)।
ফল: বাংলাদেশ ৩ উইকেটে জয়ী।
সিরিজ: ৩ ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ ২-০তে এগিয়ে।
ম্যান অব দা ম্যাচ: সাকিব আল হাসান।