বিমানবন্দরে মশা তাড়াতে প্রাকৃতিক পদ্ধতি

লেখক: Shiuly
প্রকাশ: ৩ years ago

Manual4 Ad Code

বিশেষ প্রতিবেদন: সারা বছর যেমন তেমন, কিন্তু নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত ঝাঁকে ঝাঁকে মশার উৎপাতে স্বাভাবিকভাবে দাঁড়ানোও কঠিন হয়ে পড়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। নানা পদক্ষেপ নিয়েও মশা নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে। এবার আগে থেকেই মশা নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। রাসায়নিক ওষুধ প্রয়োগের বাইরেও মশা তাড়াতে প্রাকৃতিক পদ্ধতির অনুসরণ করা হচ্ছে।
বছর জুড়েই প্রতিদিন সকালে লার্ভিসাইড (মশার লার্ভা ধ্বংসের ওষুধ) স্প্রে করা হয় বিমানবন্দরে। বিকাল থেকে মেলাথিয়ান, ল্যাম্বাডা সাইহলোথ্রিন (রীভা) ২.৫ ইসি এর মাধ্যমে ইনসেক্টিসাইড স্প্রে ও ফগিং করা হয়। তবে আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার না থাকায় বিমানবন্দরে ওষুধ দিয়েও সুফল মেলেনি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ না থাকায় দেশের প্রধান বিমানবন্দরে মশার উৎপাত ছিল অসহনীয়।
এবার কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরোশনের গাইড লাইন ও কীটতত্ত্ববিদদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাকৃতিক পদ্ধতিও অনুসরণ করা হচ্ছে। বিমানবন্দরের ভেতরে ও বাইরের জলাশয়গুলোতে ছাড়া হয়েছে গাপ্পি মাছ। বিমানবন্দরের বিভিন্ন জায়গায় গাঁদা ফুল ও তুলসি গাছ লাগানো হয়েছে বিগত কয়েক মাস ধরে।এছাড়া টার্মিনালে প্রবেশের গেটগুলোতে সন্ধ্যায় ধুপ জ্বালানো হয়। গেটগুলোতে বসানো আছে মশা মরার যন্ত্র। বিমানবন্দরের আশেপাশের এলাকার কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে করা হচ্ছে ঝোপ, জলাশয় পরিষ্কারের কাজ।

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code