সমালোচনা করতে গিয়ে মুখ্য বিষয় যেন গৌণ হয়ে না যায়: তারেক রহমান

লেখক:
প্রকাশ: ১ বছর আগে

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

Manual8 Ad Code

দেশ ও জাতির প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের তাগিদ দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ ক্ষেত্রে পরস্পরের মধ্যে অহেতুক সমালোচনা থেকে বিরত থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

Manual2 Ad Code

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ )রাজধানীর গুলশানে শুটিং ক্লাবে এক ইফতার মাহফিলে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মানে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম) এই ইফতারের আয়োজন করে।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা বাস্তবধর্মী সমালোচনা অবশ্যই করব-একজন আরেকজনের। কিন্তু সমালোচনা করতে গিয়ে এমন পরিস্থিতিতে যেন আমরা না দাঁড়াই, যেখানে আমরা জনগণের এই (গুরুত্বপূর্ণ) ইস্যুগুলোকে, দেশের ইস্যুগুলোকে আমরা অ্যাড্রেস করতে ভুলে যাব। আমাদের কাছে অন্য কিছু মুখ্য হয়ে যাবে, এগুলো গৌণ হয়ে যাবে। এটি যদি হয়, এ দেশের সম্ভাবনা তাহলে শেষ হয়ে যাবে, নষ্ট হয়ে যেতে পারে।’

চলমান সংস্কার উদ্যোগ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তারেক রহমান বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে প্রত্যেকটি দলের আদর্শ তো একদম এক হবে না। অবশ্যই আলাদা আলাদা কিছু আছে। তবে অবশ্যই আমি মনে করি, বিশ্বাস করি, মূল বিষয়টি এক জায়গায় এবং সেটি হচ্ছে গণতন্ত্র বা ডেমোক্রেসি। সেটি হচ্ছে একটি মানবিক বাংলাদেশ, সেটি হচ্ছে একটি বাংলাদেশ, যেখানে মানুষের কথা বলার অধিকার থাকবে।’

Manual7 Ad Code

বিএনপির এ শীর্ষ নেতা বলেন, ‘শুধু একজন ব্যক্তি পর পর দুই বারের বেশি প্রধানমন্ত্রী হবে না-এটা আইন করে রোধ করাটাই শুধু সংস্কার? শুধুমাত্র জাতীয় নির্বাচনের সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার করতে হবে-সেটাই কি শুধু সংস্কার? বাজার ব্যবস্থা, চিকিৎসা ব্যবস্থা কি সংস্কার নয়?’

তারেক রহমান বলেন, ‘মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা আন্দোলন করেছি। আড়াই বছর আগে আমরা রাষ্ট্র সংস্কারে ৩১ দফা সুপারিশ করেছি। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ে কষ্টে আছে মানুষ। আমরা রাজনৈতিক দলগুলো এটা নিয়ে কিছু বলছি না।’

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘জনগণের সামনে আমাদের তুলে ধরতে হবে যে, আমি যদি সমর্থন পাই, আমি চিকিৎসার জন্য এই করতে চাই, যাতে জনগণের ন্যূনতম চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হয়।’

Manual1 Ad Code

‘সংস্কারের আরেকটি বিষয় আছে’ উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘২০ কোটি মানুষের দেশে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আছে। আমরা যদি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সঠিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম না হই, তাহলে কি করে সম্ভব দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব। এ বিষয়ে প্রত্যেকটি দলের পক্ষ থেকে একটি কর্ম পরিকল্পনা থাকা উচিত।’

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code