আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা

লেখক:
প্রকাশ: ৬ years ago

Manual2 Ad Code

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কেন্দ্রবিন্দু চীনে আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। চীনের উহান শহর থেকে শত শত বিদেশি নাগরিককে সরিয়ে নেওয়া শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার এনএইচসি বলেছে, চীনে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে।

Manual7 Ad Code

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশও ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে অতি জরুরি না হলে চীনে আপাতত ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য চিকিৎসক ও প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা.এবিএম আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, বাণিজ্যের চেয়ে জীবন রক্ষা করা জরুরি। করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার। একই মতামত জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ এবং রোগ তত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সাবরিনা ফ্লোরা।

গতকাল পর্যন্ত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীন থেকে আগত ৩৩৮৪ জন যাত্রীকে স্ক্যানিং করা হয়েছে। তাদের দেহে করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়নি। গত ২১ জানুয়ারি থেকে এ বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য কর্মীরা স্ক্যানিং শুরু করেন। ইতিমধ্যে জাপান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপও তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেওয়া শুরু করেছে। চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের-এনএইচসি এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, প্রাদুর্ভাবটি শীর্ষে উঠতে আরো ১০ দিনের মতো সময় লাগতে পারে।

 

ধারণা করা হচ্ছে যে, হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানের সি ফুড মার্কেটে অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্য থেকে এই ভাইরাসটি ছড়িয়েছে। এই ভাইরাসের কারণে শ্বাসযন্ত্রের গুরুতর ও তীব্র সংক্রমণ হয়, যার কোনো নির্দিষ্ট নিরাময় বা প্রতিষেধক নেই। এরইমধ্যে স্টারবাকস চীনে তাদের অর্ধেকেরও বেশি আউটলেট বন্ধ করেছে, এছাড়া অর্থনৈতিক প্রভাবও মারাত্মক হতে শুরু করেছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেছেন, তার দেশের নাগরিকদের দুই সপ্তাহের জন্য ক্রিসমাস আইল্যান্ডে রাখা হবে। এই ঘোষণার পর সমালোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। কারণ এই দ্বীপটি অভিবাসন প্রত্যাশীদের বন্দি শিবির হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এই শিবিরগুলোর বেহাল দশা এবং এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে সেখানে চার সদস্যের একটি শ্রীলঙ্কান পরিবার রয়েছে। কিন্তু প্রায় ১ হাজার মানুষকে ধারণ করার জন্য এটি তৈরি করা হয়েছিল।

Manual3 Ad Code

অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের পাশাপাশি নিজেদের ৫৩ জন নাগরিককে ফিরিয়ে আনতে ক্যানবেরার সঙ্গে একযোগে কাজ করবে নিউজিল্যান্ড। প্রায় ২০০ জন জাপানি নাগরিক উহান থেকে বিমানে করে টোকিওর হানেডা বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। আরো ৬৫০ জন জাপানি বলেছেন যে, তারা ফিরে যেতে চান এবং দেশটির সরকার বলেছে তারা আরো ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে। জাপানের গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ফিরে আসা নাগরিকদের মধ্যে অনেকে জ্বর এবং কাশিতে ভুগছেন। তবে উপসর্গ দেখা না দিলেও ফিরে আসা সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি কিছু মার্কিন নাগরিকও উহান শহর ছেড়ে গেছে।

Manual4 Ad Code

 

Manual8 Ad Code

সংবাদটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন।
Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code